দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহন বিকল ও টানা বৃষ্টির কারণে ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকা পড়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার ঘরমুখো মানুষ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত ১০টার পর থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা, ঢাকার সাভার এলাকা হয়ে যমুনা সেতুর পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে থেমে থেমে তীব্র যানজট দেখা দেয়। ফলে পুরো মহাসড়কজুড়ে ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করছে।
পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজীপুর ও সাভার অঞ্চলের যানজটের প্রভাব টাঙ্গাইল অংশেও পড়ে। চন্দ্রা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে থাকে যানবাহন।
এদিকে গতকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির কারণে খোলা ট্রাক ও পিকআপে যাতায়াতকারী যাত্রীরা পড়েছেন বাড়তি দুর্ভোগে। বিশেষ করে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ যাত্রীদের কষ্ট চরমে পৌঁছেছে।
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে ৫৬ হাজার ২৩৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের যাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে কয়েক দফায় সেতুতে একমুখী যান চলাচলের ব্যবস্থাও করা হয়। তবে রাত ১২টার পর থেকে সেতুর ওপর পাঁচটি যানবাহন বিকল হওয়া এবং দুটি দুর্ঘটনার কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে।
মহাসড়কে আটকে থাকা যাত্রীদের অভিযোগ, প্রায় ১০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে যমুনা সেতু পার হতে তাদের ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগছে। প্রতি বছর ঈদযাত্রায় এমন দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন তারা।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৃষ্টি, সেতুর ওপর যানবাহন বিকল হওয়া এবং দুর্ঘটনার কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, চার লেনের মহাসড়ক থেকে যানবাহন যখন দুই লেনের সেতুতে ওঠে, তখনই মূলত গতি কমে যায়। এর সঙ্গে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৃষ্টি, দুর্ঘটনা ও চালকদের বিশৃঙ্খল চলাচল পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। যানজট নিরসনে পুলিশ মহাসড়কে নিরলসভাবে কাজ করছে।
জে আই